নবদম্পতির সংসার মানেই হল টোনাটুনির ছোট্ট সংসার। বিয়ের পর পরই সংসার জীবন শুরুর এ অধ্যায়ে সংসারের জন্য কোন জিনিসটি লাগবে বা কোন জিনিসটি না কিনলেও হবে, এ ধরনের দ্বিধাদ্বন্দের মধ্যে অনেকেই থাকেন। সংসার জীবনের অভিজ্ঞতা না থাকায়, বাসার আসবাব কেনার ক্ষেত্রে বাজেট নির্ধারণের মতো বিষয় বেশ গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু নতুন সংসার, তাই শুরুতেই ফার্নিচার কেনার জন্য বিশাল অংকের টাকা খরচ না করে, বরং বাজেট ফ্রেন্ডলি ফার্নিচার কিনে কীভাবে ছিমছামভাবে সংসার সাজিয়ে নেবেন, চলুন জেনে নেয়া যাক।

বেডরুম
সারাদিনের ব্যস্ততা শেষে সকল ক্লান্তি দূর করতে সময়টা যে কাটে এই বেডরুমে। তবে তাই বলে কি, বেডরুমের ফার্নিচার কেনার জন্য বিশাল অংকের বাজেট প্রস্তুত রাখতে হবে? মোটেই না! বরং বাজেট ফ্রেন্ডলি ফার্নিচার কিনলেও কিন্তু হয়। যেমন ধরুন- নামীদামী কোন ব্র্যান্ড থেকে বেড না কিনে, ডিভান কিংবা শুধুমাত্র ম্যাট্রেস এবং কুশন দিয়েও কিন্তু আপনি বাজেটের মধ্যে বেডের ব্যবস্থা করতে পারেন। এছাড়া ড্রেসিং টেবিল না কিনে ফ্লোরে কিংবা দেয়ালে আয়না ফিক্সড করে নিয়ে এর পাশে শেলফ লাগিয়ে নিলেই কিন্তু আপনি কাস্টমাইজড ড্রেসিং টেবিলের ব্যবস্থা করতে পারেন।
ছিমছাম ডাইনিং এরিয়া
যেহেতু সংসার দুইজনের, তাই খুব বড় কোন ফার্নিচার কিংবা ফ্রিজ ডাইনিং এরিয়ার জন্য না কিনে বরং, নতুন সংসারের জন্য বাজেট ফ্রেন্ডলি ফার্নিচার যেমন- পোর্টেবল ডাইনিং টেবিল এবং ছোট আকৃতির ফ্রিজ কিনে তা দিয়ে অনায়াসেই কিন্তু সংসারের প্রয়োজন মেটানো সম্ভব। তবে আপনি হয়তো ভাবতে পারেন, বাসায় অতিথি আসলে কী করবেন?
এক্ষেত্রে ব্যুফে খাবারের আয়োজন করলেই কিন্তু কাজটা সহজ হয়ে যায়। ধরুন, আপনি টেবিলেই সব খাবার রেখে দেবেন, কিন্তু অতিথিরা খাবার হাতে নিয়ে ডাইনিং এবং ড্রইং এরিয়াতে বসে যাবে। ফলে ডাইনিং এরিয়ার জন্য বড় কোন টেবিল-চেয়ারের ব্যবস্থা না রাখলেও কিন্তু চলবে।

ড্রইং এরিয়া
ড্রইং এরিয়া মানেই কি বিশাল বড় সোফা, দেয়ালে ক্যানভাস কিংবা লাইটিং এর জন্য ঝাড়বাতির ব্যবস্থা করা? একদমই না! ঘর সাজানোর সম্পূর্ণ বিষয়টি আসলে ব্যক্তির পছন্দ, রুচি, শৌখিনতা এবং প্রয়োজনীয়তার উপর নির্ভর করবে। তবে নতুন সংসারের জন্য বাজেট ফ্রেন্ডলি ফার্নিচার কেনার ক্ষেত্রে ড্রইং এরিয়ার জন্য রুমের এক কোণে বেতের দুই বা তিন সিটের সোফা অথবা ফ্লোরে রাগস এবং সাথে থ্রো-পিলোর ব্যবস্থা রাখতে পারেন। এছাড়া লাইটিং এর জন্য ফ্লোর ল্যাম্প বা মরিচ বাতি দিয়েও কিন্তু ড্রইং রুম এরিয়া সাজিয়ে নিতে পারেন। এতে করে বাজেটের মধ্যেই নতুন সংসার সাজিয়ে নিতে পারছেন নিজের মতো করে।

কিচেনে থাকুক যতটা প্রয়োজন
নতুন সংসার, মানুষও যখন দুইজন, তখন কিচেনের জন্য অতিরিক্ত হাড়ি-পাতিলেরই বা কী প্রয়োজন। বিশেষ করে যারা চাকরিজীবী, তাদের তো দিনের বেশিরভাগ সময়ই বাসার বাহিরেই থাকা হয়, তাই অতিরিক্ত কিচেন এক্সেসোরিস থাকলে এর যত্ন নেয়াও যেমন ঝামেলার, তেমনি দিনের পর দিন ব্যবহার ছাড়া পড়ে থাকলে তা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। আর তাই প্রয়োজন যতটুকু কিচেন এরিয়ায় থাকুক ততটুকু জিনিসই।
আর এভাবেই নতুন সংসার জন্য বাজেট ফ্রেন্ডলি ফার্নিচার এর শপিং করে ফেলতে পারেন, নিজের যতটা প্রয়োজন সে অনুযায়ী। সংসার শুরু করা মানেই খরচের খাতায় প্রতিনিয়ত নিত্যনতুন বিভিন্ন খরচ যুক্ত হওয়া। তবে এর সাথে সেভিং এর বিষয়টিও যে বিবেচনায় রাখা জরুরি। আর তাই বিবাহিত জীবনের শুরুতে নতুন সংসারের জন্য বাজেট ফ্রেন্ডলি ফার্নিচার শপিং করে নিন উপরে উল্লেখিত টিপস অনুযায়ী।

5 Comments
Mario Smith
Jun 23, 2020
Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Cras aliquam, quam congue dictum luctus, lacus magna congue ante, in finibus dui sapien eu dolor. Integer tincidunt suscipit erat, nec laoreet ipsum vestibulum sed.
Mary Tyron
Jun 23, 2020
Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Cras aliquam, quam congue dictum luctus, lacus magna congue ante, in finibus dui sapien eu dolor. Integer tincidunt suscipit erat, nec laoreet ipsum vestibulum sed.
Leo Williams
Jun 23, 2020
Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Cras aliquam, quam congue dictum luctus, lacus magna congue ante, in finibus dui sapien eu dolor. Integer tincidunt suscipit erat, nec laoreet ipsum vestibulum sed.